বৃহস্পতিবার । ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ । ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২

সংসদ থেকে আবারও বিরোধী দলের ওয়াকআউট

গেজেট প্রতিবেদন

‘গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেন। এনিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদল তৃতীয়বারের মত ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল। এসময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করছিলেন।

ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে। আমরা তার দায় নিতে চাই না। এজন্য আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। এ ঘোষণা দেওয়ার পরই ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।

ওয়াকআউট করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, আজকের দিন বিচারবিভাগের স্বাধীনতার জন্য বেদনাদায়ক দিন। আলোচনা কিছুটা করতে পারলেও সরকার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আইনটি রহিত করা হলো।

তিনি বলেন, যে আইনগুলো সরকারের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে পারে তারা কেবল সেগুলো পাস করছে। সরকারের এ দ্বিমুখী অবস্থান দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে না। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় একতরফা ভাবে আইন পাস করছে সরকার।

বিরোধীদল ওয়াকআউট করার পরপরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমি ধন্যবাদ জানানোর জন্য উঠেছি। আইন প্রক্রিয়ার ফাস্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিংম থার্ড রিডিং সকল প্রক্রিয়ায় উনারা সহায়তা করেছেন। কেউ কেউ হাত তুলে সমর্থনও করেছেন। সমস্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পরে ওয়াকআউটের কোনো মানে আছে কী না এটা জানার জন্য উঠেছি। সমস্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ। আশা করি, মাগরিবের নামাজের পর আবারও অংশগ্রহণ করবেন।

উল্লেখ, বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুন:প্রচলন) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল; জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল, জেলা পরিষদ বিল, পৌরসভা বিলসহ কয়েকটি বিলে আপত্তি দেয়। তবে তাদের আপত্তি থাকলেও কণ্ঠভোটে সবগুলো বিল পাস হয়।




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন